
প্রিয় টিউন প্রতি ক্লিকে নতুন কিছু যাদুর বাক্সে
সমাজিক যোগাযোগের এই যুগে সোশ্যাল বুকমার্কিং হচ্ছে সাইট প্রমোশনের সবচেয়ে সহজ, টেকসই ও জনপ্রিয় মাধ্যম। একমাত্র সোশ্যাল বুকমারকিং এর মাধ্যমে সরাসরি লিংক মার্কেটিং করা যায় এবং সেটা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। এজন্য ওয়েব ডিজাইনাররা খুব সচেতন ভাবেই তাদের সাইটের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন স্থাপন করে থাকে। আজ এই পোষ্টে সোশ্যাল বুকমারকিংয়ের বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
সোশ্যাল বুকমার্কিং হচ্ছে মূলতঃ ভার্চুয়াল লিংক ডায়েরী। সাধারণতঃ আমরা যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট বা ওয়েবলিংক খুজে পাই তখন সেটা ব্রাওজারে সেইভ করে বা বুকমার্ক করে রাখি। ঠিক একই কাজ আমরা সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটেও করতে পারি। তবে এক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে লিংকটি আমরা যে কোন যায়গা থেকেই প্রবেশ করতে পারি এবং খুব সহজেই বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করতে পারি।
১। Private Social Bookmarking Site - এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে সংরক্ষিত লিংকগুলো যিনি সংরক্ষণ করেছেনে শুধুমাত্র তিনি দেখতে পারেন। সাধারনত Google Bookmarks এই ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।
২। Circle or Group Social Bookmarking Site – এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে লিংক সংরক্ষণের সুবিধা হচ্ছে শেয়ারকৃত লিংকগুলো একটি গ্রপের বা ফ্রেন্ডলিষ্টের সবাই দেখতে পারেন এবং তাদের প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারেন। সাধারণত Facebook, Twitter, Google plus থেকে আমরা এই ধরনের সেবা পেয়ে থাকি।
৩। Open Social Bookmarking Site - এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে শেয়ার করা লিংক গুলো সবার জন্যই উন্মুক্ত থাকে। ফলে যে কেওই অন্যদের শেয়ার করা লিংক থেকে উপকৃত হতে পারেন। Digg হচ্ছে এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের সব চেয়ে বড় উদাহরণ।
সোশ্যাল বুকমার্কিং এর ধারণাটি সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালের এপ্রিল মাসে সবার সামনে নিয়ে আসে itList.com নামের একটি ওয়েবসইট। কয়েক বছরের মধ্যেই এই ধরনের বেশকিছু সাইট গড়ে ওঠে তার মধ্যে Backflip, Blink, Clip2, Hotlinks এবং Quiver বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে ঐ সময়ে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর ধারণাটি জনপ্রিয়তা অর্জনে ব্যার্থ হয়।
বর্তমানে সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটগুলো শুধুমাত্র বুকমার্কিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এতে যুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের নানা সেবা। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নিন্মে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর প্রধান প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হল-
অনলাইনে বাংলা Content এর ক্রমবর্ধমান প্রসারতার কথা মাথায় রেখে ২০১১ সালের শেষের দিকে আধুনিক সোশ্যাল বুকমার্কিংয়ের যাবতীয় সুযোগ সুবিধার সমন্নয়ে সম্পূন্ন বাংলা ভাষায় নির্মান করা হয় bartavubon.com। আমরা জানি যে প্রতিটি ওয়েবপেইজ বা ব্লগ পোষ্টই একটি নিদ্রিষ্ট বার্তা বহন করে, আর এই তথ্যপূর্ণ বার্তাগুলোকে সবার নিকট তুলে ধরাই বার্তা ভুবনের লক্ষ্য। এক্ষেত্রে লিংক শেয়ারিং ও সংরক্ষণের মাধ্যমে ব্যাক্তিগত প্রয়োজন যেমন মিটবে, আপর দিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংগ্রহের সমন্নয়ে গড়ে উঠতে পারে একটি “সমৃদ্ধ তথ্য ভান্ডার”।
Join us as we spread the word.
ভাই অসাধারণ একটি পোস্ট করেছেন । অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া
সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
bookmark korea ki korea aktu bolben…………akta post dien ar tar link ta dien
অনেক ভাল একটি পোস্ট ভাইয়া। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!:)
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
স্বাগতম ভাইয়া।
অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ
আপনাকেও ধন্যবাদ।
জোশ একখান পোস্ট|
জানতে পারলাম
ধনবাদ
oshadaron post
Great bro!!!