bigstockHelp

পিসির সমস্যা হাজারো, সমাধান একটি টিউনারপেজ হেল্প লাইন

tunerpage game

৪,০০০ অনলাইন গেমস নিয়ে মেতে উঠুন টিউনারপেজ গেমস জোন

অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম-অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব-১)

facebook অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব ১)    0twitter অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব ১)    1google অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব ১)    0linkedin অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব ১)    0

আপনার সবাই কেমন আছেন? সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এটাই আমার কামনা।

আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হলাম আমার সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ‘মহাবিশ্ব’ নিয়ে। আপনারাও হয়তো এই মহাবিশ্ব নামের অসীম রহস্যের জায়গাকে খুব পছন্দ করেন। তাই, আপনাদের এই রহস্যকে আরও বাড়িয়ে দিতে আমি শুধু আজকে নয় সবসময় আপনাদের সামনে হাজির হব এই বিষয় নিয়ে। হ্যা, আমি অনেকদিন থেকে চিন্তা করছিলাম আমার মত অন্যান্য যারা এই মহাবিশ্বের রহস্য জানার জন্য সবসময় উদগ্রীব হয়ে থাকেন তাদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে তোলা যায় কিনা। তাই, আমি হাজির হলাম ‘অনন্ত মহাবিশ্ব‘ নামের এই টিউটোরিয়াল আর্টিকেল বা পোস্টগুলো নিয়ে। এটি ১ম পর্ব। তবে, আমি আপনাদের সামনে নিয়মিত এর পরবর্তী পর্বগুলো নিয়ে হাজির হব।

এবারের বিষয়ঃ অসীম-অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব 

প্রথমেই যেই প্রশ্নটি আসেঃ মহাবিশ্ব কি?

universe অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব ১)

অনন্ত মহাবিশ্ব…

পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সীসমূহ, তাদের অন্তর্বর্তী স্থানের মধ্যে অন্যান্য পদার্থ এবং শূণ্যস্থান (মহাকাশ), এবং তাত্ত্বিক ভাবে নির্ধারিত কিন্তু সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয় এমন সব কিছু মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হচ্ছে মহাবিশ্ব বা বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড। মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়কে বলে বিশ্বতত্ত্ব। দৃশ্যমান মহাবিশ্বের সুদূরতম প্রান্তের পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন তাত্ত্বিক গবেষণায় মনে হয় মহাবিশ্বের প্রতিটি প্রক্রিয়াই তার সৃষ্টি থেকেই একই ধরণের প্রাকৃতিক নিয়ম ও কয়েকটি নির্দিষ্ট ধ্রুবক দ্বারা নির্ধারিত হয়। বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্ব অনুসারে এর আয়তন ক্রমবর্ধমান। সম্প্রতি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানীদের বিভিন্ন তত্ত্বে আমাদের এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বের পাশাপাশি আরো অনেক মহাবিশ্ব থাকার অর্থাৎ অনন্ত মহাবিশ্ব থাকার সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছে।

অনন্ত মহাবিশ্ব

অনন্ত মহাবিশ্বের (ইংরেজি: Multiverse) তত্ত্ব অনুযায়ী আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্ব একটি নয়, অসংখ্য। এই ধারণাটি বিগ ব্যাং তত্ত্বের পরবর্তী তাত্ত্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে স্থান করে নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আমাদের মহাবিশ্ব যদি কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের মধ্য দিয়ে স্থান-কালের শূন্যতার ভিতর দিয়ে আবির্ভূত হয়ে থাকে, তবে এই পুরো প্রক্রিয়াটি কিন্তু একাধিকবার ঘটতে পারে, এবং হয়ত বাস্তবে ঘটেছেও। এই একাধিক মহাবিশ্বের অস্তিত্বের ব্যাপারটি প্রাথমিকভাবে এডোয়ার্ড ট্রিয়ন আর পরবর্তীকালে মূলতঃ আঁদ্রে লিন্ডে এবং আলেকজাণ্ডার ভিলেঙ্কিন-এর গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে। ধারণা করা হয় যে, ইনফ্লেশনের মাধ্যমে সম্প্রসারিত মহাজাগতিক বুদ্বুদ থেকে আমাদের মহাবিশ্বের মতই অসংখ্য মহাবিশ্ব তৈরী হয়েছে, যেগুলো একটা অপরটা থেকে সংস্পর্শবিহীন অবস্থায় দূরে সরে গেছে। এ ধরনের অসংখ্য মহাবিশ্বের একটিতেই হয়ত আমরা অবস্থান করছি অন্য গুলোর অস্তিত্ব সম্বন্ধে একেবারেই জ্ঞাত না হয়ে[১]স্ট্রিং তত্ত্বিকদের গণনা থেকে জানা গিয়েছে যে, ১০৫০০টির মতো ভ্যাকুয়াম স্তরের তথা মহাবিশ্বের অস্তিত্ব থাকতে পারে [২] । দীর্ঘদিন ধরে এই তত্ত্বকে যাচাইযোগ্যতা এবং পরীক্ষণযোগ্যতার অভাবে অভিযুক্ত করা হলেও সম্প্রতি অনন্ত মহাবিশ্বের কিছু পরীক্ষালব্ধ প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবী করা হয়েছে[৩]

মহাবিশ্বের ইতিহাস…

প্রাচীন কালে মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য নানাবিধ বিশ্বতত্ত্বের আশ্রয় নেওয়া হত। পুরাতন গ্রীক দার্শনিকরাই প্রথম এই ধরণের তত্ত্বে গাণিতিক মডেলের সাহায্য নেন এবং পৃথিবী কেন্দ্রিক একটি মহাবিশ্বের ধারণা প্রণয়ন করেন। তাঁদের মডেলে পৃথিবীই মহাবিশ্বের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সমস্ত গ্রহ, সূর্য ও নক্ষত্ররা ঘুরছে। গ্রীকদের এই মডেলে মহাবিশ্বের মোট আয়তন বর্তমানে জ্ঞাত বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মধ্যেই ছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন আকাশের তারারা আমাদের থেকে খুব বেশী দূরে অবস্থিত নয়।

বেশ কয়েক জন জ্যোতির্বিদ পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করলেও যতদিন না চৌদ্দশো শতকে কোপের্নিকাস সৌরকেন্দ্রিক মহাবিশ্বকে যৌক্তিক ভাবে তাঁর বইয়ে উপস্থাপনা করলেন ততদিন পৃথিবীকেন্দ্রিক ধারণা মানুষের মনে দৃঢ়ভাবে গেঁড়ে ছিল। পরবর্তীকালে নিউটনের গতি ও মহাকর্ষ সংক্রান্ত গভীর ধারণা পর্যবেক্ষণের সাথে সৌরকেন্দ্রিক জগতের সামঞ্জস্য নির্ধারণ করে। ধীরে ধীরে জ্যোতির্বিদরা আবিষ্কার করেন সূর্যের মতই কোটি কোটি তারা দিয়ে একটি গ্যালাক্সি গঠিত। কয়েক শত বছর বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল সমগ্র মহাবিশ্ব মানে শুধুমাত্র আমাদের এই ছায়াপথ গ্যালাক্সিটিই। ১৯২০র দশকে উন্নত দুরবীনের কল্যাণে জ্যোতির্বিদরা আবিষ্কার করলেন ছায়াপথের বাইরে অন্য গ্যালাক্সিদের। [১][২]

সেই কোটি কোটি গ্যালাক্সিদের মধ্যে ছায়াপথের মতই কোটি কোটি তারাদের অবস্থান। সেই সমস্ত গ্যালাক্সিদের থেকে আগত আলোর বর্ণালী বিশ্লেষণে বোঝা গেল সেই গ্যালাক্সিগুলি আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। [৩]

এর সহজতম ব্যাখ্যা হল গ্যালাক্সিদের মধ্যে স্থানের প্রসারণ হচ্ছে এবং প্রতিটি গ্যালাক্সিই অন্য গ্যালাক্সি থেকে দূরে সরছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা হল সুদূর অতীতে সমস্ত গ্যালাক্সিগুলি বা তাদের অন্তর্নিহিত সমস্ত পদার্থই একসাথে খুব ঘন অবস্থায় ছিল এবং কোন মহা বিস্ফোরণের ফলে বস্তুসমূহ একে অপর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই বিস্ফোরণের নাম দেওয়া হল বিগ ব্যাং। ১৯৬০এর দশকে বিজ্ঞানীরা বিগ ব্যাংএ সৃষ্ট উষ্ণ বিকিরণের শীতল অবশেষের সন্ধান পেলেন।[৪] এই তরঙ্গ বিগ ব্যাং ঘটনার প্রায় ৪০০,০০০ বা চার লক্ষ বছর পরে, বস্তু ঘনত্বের হ্রাসের পর, মুক্ত হয়েছিল। এই মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ মহাবিশ্বের প্রতিটি জায়গাতেই পাওয়া যায়। এক অর্থে বলা যায় এই তরঙ্গ দৃশ্যমান মহাবিশ্বের শেষ প্রান্ত থেকে আসছে। বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে জ্যোতির্বিদরা আবিষ্কার করলেন মহাবিশ্বের প্রসারণ ত্বরাণ্বিত হচ্ছে।[৫] এই আবিষ্কারটি বিশ্বতত্ত্বের কিছু প্রশ্নের উত্তর দিল।

বিগ ব্যাং মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল একটা ভীষণ ঘন ও উষ্ণ দশা থেকে। এই সময় বা অবস্থাকে প্ল্যাঙ্ক ইপোখ বলে অভিহিত করা যায়। সেই সময় থেকে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হয়ে চলেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা শুরুর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই (১০−-৩২ সেকেন্ডের মধ্যেই) মহাবিশ্বের অতি স্ফিতী (inflation) হয় যা কিনা দেশ বা স্থানের প্রতিটি অংশে প্রায় একই তাপমাত্রা স্থাপন করতে সাহায্য করে।[৬] এই সময়ে সুসম ঘনত্বের মাঝে হ্রাস-বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যত গ্যালাক্সি সৃষ্টির বীজ তৈরি হয়। মহাকর্ষ শক্তি মাধ্যমে সম্প্রসারণের বিরূদ্ধে বস্তুজগতকে আকর্ষিত করে গ্যালাক্সি সৃষ্টির পেছনে কৃষ্ণ বা অন্ধকার বস্তুর বিশেষ ভূমিকা আছে। অন্যদিকে মহাবিশ্বের বর্তমান প্রসারণের মাত্রার ত্বরণের জন্য কৃষ্ণ বা অন্ধকার শক্তি বলে একটি জিনিসকে দায়ী করা হচ্ছে। তাত্ত্বিক ভাবে কৃষ্ণ বস্তু মহাকর্ষ ছাড়া অন্য বলগুলোর সাথে (তড়িৎ-চুম্বকীয়, সবল ও দুর্বল) খুব অল্পই বিক্রিয়া করে সেইজন্য ডিটেকটর দিয়ে তাকে দেখা মুশকিল। বর্তমান মহাবিশ্বের মূল অংশই হচ্ছে কৃষ্ণ শক্তি, বাকিটা কৃষ্ণ বস্তু। আমরা চোখে বা ডিটেকটর মাধ্যমে যা দেখি তা মহাবিশ্বের মাত্র ৫ শতাংশের কম। এই মডেলে মহাবিশ্বের বর্তমান বয়েস ১৩.৭৫ বিলিয়ন বা ১,৩৭৫ কোটি বছর। এই মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অংশের “এই মুহূর্তের” ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোক বছর। যেহেতু মহাবিশ্বের প্রতিটি বিন্দু প্রতিটি বিন্দু থেকে প্রতি মুহূর্তে আরো দ্রুত সরছে, মহাবিশ্বের ব্যাস ১৩.৭৫ x ২ = ২৭.৫০ বিলিয়ন আলোক বছরের চাইতে বেশী। দেশ বা স্থানের প্রতিটি বিন্দু বহু দূরের কোন বিন্দুর তুলনায় আলোর গতির উর্ধে ভ্রমণ করে, যতক্ষণ না সেই বিন্দুগুলির মাঝে তথ্য আদানপ্রদান না হচ্ছে এই গতি বিশেষ বা সাধারণ আপেক্ষিকতার কোন নিয়ম ভঙ্গ করে না।

বিগব্যাং কি?

একটি বিন্দু থেকে সব কিছুর সৃষ্টি। এখন থেকে ১৩·৭ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব ছিল তার জন্মলগ্নে। বর্তমান পদার্থ বিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক ও গণিতকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা মহাবিশ্বেও ১০-৪৩ সেকেন্ড আগ পর্যন্ত হিসেব করা সম্ভব হয়েছে। ধারনা করা হয় তখন মহাবিশ্বের আয়তন ছিল একটি পরমানুর থেকেও ছোট এবং তাপমাত্রা ছিল কয়েক বিলিয়ন ডিগ্রি সেন্ট্রিগেড। এর ঠিক ১০-১৮ সেকেন্ডে সেই ছোট বিন্দুটি হারিয়ে ফেলে তার মহাকর্ষন শক্তি এবং প্রসারিত হতে থাকে অসীম গতিতে চারদিকে। এই প্রসারনকে বলা হয় বিগ বেং। বর্তমান জানা তথ্যেও উপর ভিতে করে মহাবিশ্বের বয়স দাড়ায় ১৩·৭ বিলিয়ন বছর এবং আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ব্যাস ১৮৫ বিলিয়ন আলোক বর্ষ।

বিগব্যাং থিউরির চিত্রঃ

bang অনন্ত মহাবিশ্বঃ অসীম অনন্ত রহস্যের অপর নাম এই মহাবিশ্ব (পর্ব ১)

বিগব্যাং থিউরি(The Big Bang Theory)

 

আজকে এখানেই শেষ করছি। তবে, আমি দ্রুত আবার ফিরে আসবো নতুন পর্ব নিয়ে। এই টিউটোরিয়াল পর্ব সম্পর্কে আপনার যেকোনো মতামত বা উপদেশ দিন নিচে কমেন্ট করে।

সবাইকে আমার সাথে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

তথ্যসূত্রঃ

উইকিপিডিয়া

টেকটিউনস >> এস বি মেহেদি

‘অনন্ত মহাবিশ্ব’ এর সকল আপডেটেড নিউজ পেতে যোগ দিন এই ফেসবুক পেজটিতে

টেক প্রেমিক™
105 টি মন্তব্য করেছেন
পূর্ণ নাম
টেক প্রেমিক™
আমার সম্পর্কে
আমি টিউনার পেজে টেক প্রেমিক নামে পরিচিত। আমার আসল নাম প্রীতম চক্রবর্তী। আমার ধ্যান-জ্ঞান সবকিছুই শুধু প্রযুক্তি বা টেকনোলজি নিয়ে। আমি সবসময় প্রযুক্তিকে ভালোবেসে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। আমার বয়স ১৪।
আমার ওয়েবসাইট
http://www.technocolor.co.cc/

টিউন সম্পর্কে মতামত

  1. থাঙ্কস ভাই..অনেক সুন্দর পোস্ট..পর্ব২ ও পরলাম..আশা করসি খুব শিগ্রই পর্ব৩ পাব..থাঙ্কস এগেইন…

  2. Darun hoiche porbo ta. Excellent. Asha kore aro sundor porbo amader jonno upostapon korben.

টিউন সম্পর্কে মতামত দিন

মতামত দিতে আপনাকে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অথবা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক দ্বারা চট জলদি লগইন করুন উপরের প্রবেশ মেনু থেকে।

সর্বসেরা টিজে লিস্ট

616 টি টিউন করেছেন
516 টি টিউন করেছেন
431 টি টিউন করেছেন
207 টি টিউন করেছেন
164 টি টিউন করেছেন
সার্ভার কুইন
152 টি টিউন করেছেন
141 টি টিউন করেছেন
116 টি টিউন করেছেন
দ্যা নেক্সট টিজে
114 টি টিউন করেছেন
বান্দা_ ইখতিয়!র
110 টি টিউন করেছেন

স্বাগতম Tunerpage

প্রবেশ করুণ

আপনার পাসওয়ার্ড হারিয়ে ফেলেছেন?

নিবন্ধন করুন

(স্পেস ছাড়া ইংলিশে ইউসারনেম দিন)

আমন্ত্রণ বার্তা