
প্রিয় টিউন প্রতি ক্লিকে নতুন কিছু যাদুর বাক্সে
হলিউড সিনেমা , গেম , গল্পের বই , ইন্টারনেট এর কল্যাণে স্নাইপার সম্পর্কে জানেন না এমন মানুষ বোধহয় পৃথিবী তে নেই ! এই স্নাইপার দের কে নিয়েই আমার আজকের ব্যতিক্রমী টিউন । চলুন দেখি কি কি নতুন তথ্য জানতে পারি স্নাইপার দের সম্পর্কে
যে ব্যক্তি লুকানো অবস্থান থেকে সাধারণ সেনা , মার্কসম্যান এর ক্ষমতা কে ছাড়িয়ে অনেক দুরের টার্গেট কে ফেলে দেয় তাকেই সাধারণত স্নাইপার বলে । স্নাইপার দের সাধারণত স্নাইপিং এর উপর বিশেষ ট্রেনিং থাকে । এছাড়াও এদের ছদ্মবেশ , স্কাউট, হাইড আউট , রেকি এবং এক্সপ্লোরেশন এর ট্রেনিং ও থাকে। তবে বলতে পারেন এদের শরীরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে বিশেষায়িত এবং দুরপাল্লার শট এর জন্য তৈরি স্পেশালাইজড রাইফেল । পাহাড়, জঙ্গল , পানি , মরুভূমি , দুর্গম এলাকা যেকোনো জায়গা তেই স্নাইপাররা সাক্ষাত মৃত্যুদূত

হিটলার এর বাহিনী যেদিন রাশান লাইন কে পেছনে ফেলে মস্কো অধিগ্রহণ করে এবং সাইবেরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে , ধারনা করা হয় এই সময় হিটলার এর প্রচণ্ড আগ্রাসন এর স্টাইলের কারনেই রেড আর্মি কে তাদের ই সাধের মস্কো ফেলে পেছনে হাঁটতে বাধ্য করেছিল ! কিন্তু সত্যি কথা কি , রাশাদের কলিজার ভেতরে হিটলার এর আগ্রাসন কাঁপন ধরায় নি ,ধরিয়েছিল ছোটখাটো গড়নের এক ফিনিশ স্নাইপার সিমো হাইহা (Simo Häyhä) । যাকে হোয়াইট ডেথ বা সাদা মৃত্যু ও বলা হয়ে থাকে ! রাশিয়ার মাইনাস ৪০ ডিগ্রী তাপমাত্রাতে ও তিনি ছিলেন ভয়ঙ্কর । মাত্র ১০০ দিনে ওই রকম প্রতিকুল পরিবেশে তিনি মাত্র ৫০৩ টা নিশ্চিত রাশান সৈন্য ফেলে দিয়েছিলেন ঢিল মেরে গাছ থেকে আপেল ফেলার মত !
ফলাফল ? দিকভ্রান্ত রাশান সৈন্যরা মস্কো ছেড়ে পিছু হাঁটে ! সিমো হাইহা ছাড়া আরও কিছু এমন স্নাইপিং রত্ন ছিল হিটলার এর কাছে । এদের মধ্যে উল্লেযোগ্য হচ্ছেন ম্যাথিউস হ্যাযন্যুয়ার (অট্রিয়ান , ৩৪৫ টি কিল ) , জোসেফ অলবার্গার ( অট্রিয়ান , ২৫৭ টি কিল ) , হেলমুট ওয়ান্সবার্গার ( জার্মান , ২০০ এর অধিক রাশান কিল ) । কিন্তু পরবতীতে এলাইড রাও বিপ্লব এনে ফেলে এযুদ্ধে আরও কিছু ভয়ঙ্কর স্নাইপার এর মধ্যমে । তাদের কাছে ছিল লুদমিলা পাভলিউচেঙ্কো ( রাশান , ৩০৯ টা কিল নিয়ে ইতিহাসের সব থেকে নামকরা মহিলা স্নাইপার ) । ভাসিলি জায়েতসেভ ( রাশান , ২০০ + জার্মান কিল ) , মিখাইল সুরকভ ( ৭০২ টা কিল কিন্তু যথেষ্ট প্রমান নেই ) , সিমেন নোমোকোনভ ( ৩৬৭ কিল ) দের মত ভয়ঙ্কর স্নাইপার কিলার।

একটা সাধারন বোলট অ্যাকশান রাইফেল এর সাথে একটা স্নাইপার রাইফেলের মূল পার্থক্য হচ্ছে এর গড়ন ও এর অ্যাকশান এর ধরনের উপর। একটা সাধারন রাইফেল কে বানানো হয় খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী বুলেট ছোঁড়ার জন্য । যেখানে একটা স্নাইপার রাইফেল তৈরী হয় ধিরেসুস্থে দূরের টার্গেট ফেলার জন্য । অনেক বেশী নির্ভুল ও নিবেদিত হয় স্নাইপার রাইফেল । নি্ভুলতার জন্য এতে শক্তিশালী টেলিস্কোপিক সাইট থাকে এবং সাধারন বুলেট এর বদলে মিলিটারি সেন্টারফায়ার কার্টিজ ব্যবহার করা হয় ।

এটা একটা McMillanTac-50 রাইফেল
একটা M107 রাইফেল
একটা M82 রাইফেল
m24 রাইফেল
L115A3 Long Range Rifle
Accuracy International L115A3 রাইফেল । এটাই বাংলাদেশ আর্মির স্নাইপাররা ব্যবহার করেন ।





| Name | Nationality | Weapon | Ammunition | Distance | Place | Date |
|---|---|---|---|---|---|---|
| Corporal Craig Harrison | British | L115A3 Long Range Rifle | .338 Lapua Magnum LockBase B408 bullets | 2,475 m | Afghanistan | Nov 2009 |
| Corporal Rob Furlong | Canadian | McMillan Tac-50 | Hornady A-MAX .50 (.50 BMG) | 2,430 m | Afghanistan | Mar 2002 |
| Master Corporal Arron Perry | Canadian | McMillan Tac-50 | Hornady A-MAX .50 (.50 BMG) | 2,310 m | Afghanistan | Mar 2002 |
| Sgt. Brian Kremer | American | Barrett M82A1 | Raufoss NM140 MP | 2,300 m | Iraq | Mar 2004 |
| Gunnery Sergeant Carlos Hathcock | American | M2 Browning machine gun | .50 BMG | 2,090 m | Vietnam | Feb 1967 |
| Chief Petty Officer Chris Kyle | American | McMillan Tac-338 | .338 Lapua Magnum | 1,920 m | Iraq | Aug 2008 |
| Corporal Christopher Reynolds | British | Accuracy International L115A3 | .338 Lapua Magnum | 1,853 m | Afghanistan | Aug 2009 |
| Unknown Norwegian sniper | Norwegian | Barrett M82A1 | Raufoss NM140 MP | 1,380 m | Afghanistan | Nov 2007 |
| Staff Sergeant Jim Gilliland | American | M24 rifle | 7.62x51mm NATO | 1,250 m | Iraq | Sep 27, 2005 |
সর্বকালের সেরা ১০ স্নাইপার নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা আছে । যেমন ধারনা করা হয় জার্মান এক স্নাইপার ছিলেন যিনি শুধু স্তালিনগ্রাদ এই ১০৭০ টা নিশ্চিত কিল শট নিয়েছিলেন কিন্তু তার নাম আজো জানা সম্ভব হয় নি
। এরকম আরও ৩ জন নিভৃতচারী মাস্টার স্নাইপার আছেন বলে ধারণা করা হয় কিন্তু তারা কখনো জনসমক্ষে আসেননি অথবা তারা হয়ত শুধুই বইয়ের পাতায় স্থান পেয়েছেন কল্পনা থেকে । তবে এখানে যে ১০ জনের নাম আমি লিখব তারাও কম না :/ তাদের কে নিয়েও যথেষ্ট জল ঘোলা হয়েছে । কারো লিস্ট এর সাথে কারো লিস্ট এর মিল নেই :/ তাই আমি ইন্টারনেট ঘেঁটে সবথেকে বেশী কিল শট নেওয়া অনুযায়ী সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জনের তালিকা করলাম । আরও বলে রাখা ভালো , মূলত স্নাইপিং অনেক পুরাতন একটা বিদ্যা কিন্তু ব্যাপক হারে এর ব্যবহার শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বজুদ্ধে । আর তাতে প্রথম প্রথম হিটলার এর বাহিনী কিছু কারুকাজ দেখালেও স্নাইপিং কে একেবারে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন রাশিয়ান সৈন্য রা । তার স্পষ্ট ছাপ আছে এ লিস্টে ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে যে রাশিয়ান স্নাইপার দের কোন তুলনা ছিল না তার উৎকৃষ্ট প্রমান স্তেপান ভাসিলিভিচ পেত্রঙ্কো । রাশিয়া বুঝতে পারে যুদ্ধের অন্যতম বড় অস্ত্র হবে এসব স্নাইপার । তাই তারা ক্রমাগত ট্রেনিং দিতে থাকে স্নাইপিং এর এবং সে সময়ের ই আবিস্কার স্তেপান ভাসিলিভিচ পেত্রঙ্কো । উনি ছিলেন একজন এলিট স্নাইপার । ৪২২ টা নিশ্চিত কিল নিয়ে তাই উনি জায়গা করে নিয়েছেন সর্বকালের সেরা স্নাইপার দের খুব ই ছোট্ট তালিকার ১০ নাম্বারে ।

আরেকজন রাশান স্নাইপার । ভাসিলিজ ইভানোভিচ গলোসভ এর ও ৪২২ টা কিল । কিন্তু ৯ নাম্বার এ জায়গা তাকে শুধু শুধু দেওয়া হয়নি । যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি শুধু সাধারণ সৈন্য মারেননি , ৪২২ জনের ভেতর ৭০ জন ছিল প্রতিপক্ষের ভয়ঙ্কর সব স্নাইপার ! ! ! বিশ্বযুদ্ধ শেষে স্নাইপিং মেডেল পাওয়া হাতেগোনা স্নাইপার দের ভেতর তিনি একজন ।

আরও একজন রাশিয়ান । ইনি কিন্তু প্রকৃত রাশিয়ান বীর । Distinguished Service Cross for “extraordinary heroism in connection with military operations against an armed enemy.” মেডেল পাওয়া হাঁতে গোনা কয়েকজন এর একজন । ৪২৫ টা কিল নিয়ে উনি তাই ৮ এ ।

ফয়দোর মাতভেভিচ অখলপকভ ছিলেন সর্বকালের সবথেকে ভয়ঙ্কর স্নাইপার দের একজন । আরও একজন রাশিয়ান । ফয়দোর মাতভেভিচ অখলপকভ এবং তার ভাই একসাথে নাম লিখিয়েছিলেন রেড আর্মি টে। যুদ্ধক্ষেত্রে তার ভাই তার সামনেই নিহত হন । এবং সেটাই সম্ভবত কাল হয়ে ওঠে জার্মান সৈন্য দের জন্য । কারন ফয়দোর মাতভেভিচ অখলপকভ প্রতিজ্ঞা করেন তার ভাইয়ের হত্যার প্রতিশোধ নিবেন । এবং তা করতে যেয়ে তিনি রক্তের নেশায় পাগল হয়ে যান । থামেন তার স্নাইপার রাইফেল দিয়ে ৪২৯ তা এবং সাব মেশিনগান দিয়ে আরও ৬০০+ হত্যা করার পর ! তাকে পরে অর্ডার অফ লেনিন এ ভূষিত করা হয় । ১৯৭৪ সালে একতা রাশিয়ান কার্গো জাহাজ এর নাম তার নামে করা হয় ।

রাশান । ৪৩৭ তা কিল নিয়ে তিনি আছেন ৬ নাম্বারে । অন্য দের সাথে তার বেশী একটা পার্থক্য নেই । শুধু তিনি ছিলেন প্রচণ্ড একাগ্র এবং কাজের প্রতি নিবেদিত । তিনি পুরো স্নাইপিং এর ইতিহাসে ঠাই করে নিয়েছেন একটি ছোট ঘটনার মাধ্যমে । এক জার্মান জেনারেল কে ফেলে দেওয়ার জন্য শাখালিন কারাগারের পাশে ২০০ ফুট উঁচু একটা গাছের একটা ডালে টানা ৬ দিন একি ভাবে শুয়ে থেকে অবশেষে এক শটে জেনারেল কে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করেন সপ্তম দিন ভোরে ।

আর একজন এলিট রাশিয়ান স্নাইপার । পুরো রাশিয়াকে নাকি উনি হাতের উলটো পিঠের মত চিনতেন । ফলাফল , যেখানেই গেছেন , ডালে বসা পাখির মত টার্গেট কে ফেলেছেন কোন কষ্ট ছাড়ায় । টোটাল কিল ৪৫৬ টা ।

একজন রাশিয়ান ! আমি বাজি ধরে বলতে পারি আপনারা কেউ অন্তত এ তালিকা তে কোন নারীদের মত গড়নের কাউকে আশা করেন নি ! কিন্তু রাশিয়ানদের দেশ প্রেমের উদাহরণ হচ্ছেন আইভান নিকোলাইভিচ কুলবারতিনভ । উনার উচ্চতা ছিল ৫’২” । ছিপছিপে দেহের ওজন ছিল ৪৭ কেজি । কিন্তু তার দেশপ্রেমের কাছে এগুলো কোন বাধা হতে পারে নি । বারবার প্রত্ত্যাক্ষিত হয়েও তিঞ্জি চেষ্টা করেন সেনাবাহিনী তে আসতে। অবসেশে তাকে নেওয়া হয় এবং তার প্রতিদান দিয়েছেন শত্রুপক্ষের ৪৮৯ জনকে মেরে ।

২০০১ সালে একটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে “Enemy at the Gates” নামে একটা হলিউড সিনেমা রিলিজ পায়। নিকোলাই ইয়াকোভেলভিচ আইলিন এর কাহিনী অবলম্বনেই তৈরি হয়েছিল এই সিনেমা টি । স্তালিনগ্রাদে তার অসমসাহসী যুদ্ধ কোন কিছুর সাথে তুলনা করা কঠিন । ফাকা একটা চৌরাস্তার ভেতর শুয়ে একটা বোল্ডারের পেছনে আশ্রয় নিয়ে আড়ালে থাকা ৭২ জন জার্মান স্নাইপার কে ফেলেদিয়েছিলেন নিকোলাই ইয়াকোভেলভিচ আইলিন ২ ঘণ্টার ভেতর ! ! ! মোট ৪৯৪ টা কিল নিয়ে উনি আছেন ৩ নাম্বার এ । যদিও তার কিল শট নিয়ে একটু ঝামেলা আছে । অনেক দলিল দেস্তাবেজ বলে এটা ৪৯৭ হবে !

স্নাইপার হিসেবে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে আইভান মিহাইলোভিচ সিডোরেঙ্কো পেয়েছেন অত্যন্ত সমাদৃত পদক “Hero of the Soviet Union” । বিশ্বযুদ্ধ প্রক্কালে তাকে কলেজ থেকে বহিস্কার করে দেওয়া হয় । পরে সেনাবাহিনী তে যোগ দেন সাধারণ একজন সেনা হিসেবে । জীবনের কাছে নিজেকে প্রমান করার জন্য তিনি স্নাইপিং ট্রেনিং নেন এবং ফলাফল বড়ই ভয়ঙ্কর । প্রশিক্ষণ শেষের মাত্র ১ বছর পর যুদ্ধাহত না হলে কে জানে তার কিল শট এর সংখ্যা কতো তে যেয়ে পৌঁছাত । ৫০০ কিল নিয়ে তিনি এই লিস্টের ২ নাম্বারে । তবে তিনিই হচ্ছেন রাশিয়ার সর্বকালের সেরা স্নাইপার

সাদা মৃত্যু ! এই এক কথাই যথেষ্ট সিমো হাইহার জন্য । সাক্ষাৎ যমদূতের মত বরফের ভেতর সাদা ওভারঅল পরে ঘাপটি মেরে থাকতেন এই ফিনিশ বীর । অনেক বলেন তার টোটাল কিল শট ৭০০ – ১২০০ এর ভেতর । কিন্তু সিমো হাইহা বলেন এটা ৫৪২ ই । কারন ওই ৫৪২ এর প্রত্যেক টা ছিল রাশান সৈন্য ! ! !
স্নাইপিং এর এ টিউন টি আশা করি আপনাদের ভালো লেগে থাকবে
আজ এই পর্যন্তই । আরও টিউন এর জন্য টিউনার পেজের সাথেই থাকুন
ধন্যবাদ

সম্মানিত ভিজিটর, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলা প্রযুক্তির মূলক ব্লগ টিউনারপেজে আপনাকে সালাম এবং স্বাগতম। অবশ্যই নীতিমালা পড়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন।নতুন পোস্ট ও মন্তব্য দ্বারা টিজেদের উৎসাহিত করুন। ধন্যবাদ :)
ভাই !আরে না গুরু! গুরু কি ! কি করলেন এইটা ? যদি খালি ছবি গুলা এড করতেন ।চরম হইতো গুরু
কোন ছবি গুলা :S আমি তো সবগুলাই দেখি :/
অসাধারন পোষ্ট! আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
কেউ যদি পোষ্টটির পিডিএফ সংস্করণ ডাউনলোড করতে চান, তাহলে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
http://www.mediafire.com/?3wk7s22s7eahltv
thank you malek bhai
অসাধারণ পোস্ট !!! ধন্যবাদ
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ
দারুন !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! আমার ব্লগে এ কিন্ত এইটা আপনাকে পোস্ট করতে হবে !!!!!!!!!!! আগে তৈরি করে নেই
সেরকম, এমন টাইপ এর পোস্ট আগে দেখেনি। ধন্যবাদ। …………… ভিউয়ার রা পারলে ১টা ফেসবুক লাইক দেন https://www.facebook.com/photo.php?fbid=383398708345078&set=o.132007270192788&type=3&theater
খুশি হয়ে গেলাম বস
:প
খালি গুল্লি হবে
ভিন্ন স্বাদের পোস্ট, খুবই মজা পাইলাম…
ধন্যবাদ
Sniper -দের ব্যাপারে আমি সবসময় ভীষণ কৌতূহলী । আর এ কারনেই Enemy at the gate এবং shooter -এর মত মুভিগুলো আমার ভীষণ পছন্দ।
Sniper -দের নিয়ে এরকম চমৎকার, গবেষণা ধর্মী একটা পোস্টের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। Commando – যোদ্ধাদের নিয়ে এরকম টিউন আশা করছি।
ইনশাল্লাহ পরবর্তী টিউন এ পাবেন কমান্ডো দের কে
pirate vai joss likhsen
ধন্যবাদ বস ^_^
হা করে দেখা ছাড়া আর কিছুই নাই, ভাই দারুন একটা পোস্ট করছেন
বাহ সুন্দর পোস্ট। আমিও ভাবতেছিলাম এইরকম একটা পোস্ট করব। \\m//