
প্রিয় টিউন প্রতি ক্লিকে নতুন কিছু যাদুর বাক্সে
বৈশাখের শুভেচ্ছা সবাইকে। আবারো আমন্ত্রণ জানাচ্ছি তামিমের পোষ্টে। আমি আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো রয়েছি, আশা করি আপনারাও খারাপ নেই। আপনি যখন পিসি, নেট ওপেন করে ব্লগে এসে আমার পোষ্ট পড়তে পারছেন ধরে নেয়াই যায় আপনারা কেওই খারাপ নেই। প্রত্যেক মানুষের জীবনে সাধারণ কিছু কষ্ট ও অপূর্ণতা প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে, তা ধরতে হয় না।
চলুন মূল বিষয়ের দিকে লক্ষ্য করা যাক। আজ আমরা দেখবো কিভাবে আপনি ষ্টোর থেকে একটি মোবাইল ক্রয় করার সময় তার মাণ পরীক্ষা করে নিতে পারবেন। তবে চলুন শুরু করিঃ
আপনি হয়তো আপনার বন্ধু বা অন্য কারো মোবাইলে লক্ষ্য করেছেন যে তাদের অনেকের মোবাইলে হাই রেজুলেসন ও পিকচেলের ছবি দেখচ্ছে না? কেন দেখচ্ছে না? উত্তর সিম্পল। কারণ হচ্ছে তাদের ডিসপ্লে ছোট বা সেই পিকচার দেখানোর মতন ক্ষমতা সেই মোবাইলের নেই।
এখন আপনি আমাকে বলুন আপনি কি চান যে আপনার মোবাইলে ১৬০০X১২০০ সাইজের একটি পিকচার দেখতে যেয়েই চুল ছিড়তে হয়? অবশ্যই না। যেখানে অন্যরা এতো বড়, বড় সাইজের, রেজুলেসন এর পিকচার দেখে নিচ্ছে সেখানে আপনি কেন না বুঝে মোবাইল কিনে বোকার মতো বসে থাকবেন?
তাই ষ্টোর এর মাঝে থাকা কম্পিউটার থেকে হাই রেজুলেসন এর একি পিকচার নামিয়ে তা মোবাইল দিকে দেখুন। যদি পরিষ্কার ভাবে দেখায় তবে পারফেক্ট। অতঃপর লক্ষ্য করুন পিকচারের “রঙ, ব্রাইটনেস” ঠিক আছে কিনা।
এবার আপনার মোবাইলের ব্রাউজার বা নোট ওপেন করুন। এবং সেখানে কিছু টাইপ করে দেখুন যে মোবাইলের ফন্ট বা লেখার আকৃতি কিরকম। পরিষ্কার নাকি ঝাপসা?
জনপ্রিয়তার মাঝে এখন বর্তমানে শীর্ষে আছি টাচ! মানুষ এখন আর বেশি কষ্ট করতে চায় না, তারা কিপ্যাড এর মাঝে বাটন চেপে সময় নষ্ট করার মাঝে নেই। সবাই এখন চায় যে টাচ দিলেই কাজ হয়ে যায়। আর সেই টাচই যদি আপনার নষ্ট বা খারাপ থাকে তবে চিন্তা করুন কিরকম একটি ঝামেলা হবে না?? তবে চলুন দেখি কিভাবে টাচস্ক্রীন টা ৯০% সঠিক ভাবে পরীক্ষা করে নিতে পারি আমরা মোবাইল কিনার সময়ঃ
আপনার কিনতে যাওয়া মোবাইল থেকে মেসেজ বা নোটপ্যাড ওপেন করুন। এবার আপনি কিছু কথা চিন্তা করে নিন যা ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিটের মাঝে আপনি টাইপ করতে পারবেন এবং উক্ত মোবাইলটি দ্বারা সম্ভব। এবার স্টার্ট বলে টাইপ শুরু করে দিন। সময় শেষ হলে থেমে যান।
কি বুঝলেন? সঠিক ভাবে মোবাইলটিতে সব কিছু টাইপ হয়েছে তো? যদি হয়ে থাকে তবে অতান্ত ভালো, আপনার টাচ ঠিক আছে সঠিক ভাবে। আর যদি টাইপ সঠিক ভাবে না হয়ে থাকে? তবে চিন্তা করুন আপনি কি টাইপ করতে মিস্টেক করেছিলেন? বা লাইন থেকে বেলাইনে যেয়ে টাইপ করতেছিলেন? না? তবে আর কি, আমরা বলতেই পারি যে টাচস্ক্রীন এর মাঝে সমস্যা রয়েছে।
এটি দিয়ে আপনি কি করেন, বা করবেন তা নাহয় আর নাই বললাম! চলুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রবেশ করা যাকঃ
আপনার মোবাইলটির ক্যামেরা দিয়ে কিছু পিকচার তুলুন। আর হ্যাঁ অবশ্যই ফুল সাইজে তুলবেন এবং কালার ঠিক করে নেবেন অপশন থেকে। এবার আপনার কাজ হচ্ছে পিকচার গুলো অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মতন আপনার চোঁখ দিয়ে খুঁটিয়ে,খুঁটিয়ে দেখা। কি দেখেলন? পিকচার গুলো পরিষ্কার আর রঙ ঠিক আছে তো? তবে আপনার যখন তাই মনে হয়েছে তবে এখানে আর বাধা দেবার কিছু নেই। পারফেক্ট আপনি নিতে পারেন।
এবার চলুন ভিডিও দেখা যাক। কিছু ভিডিও তুলুন এবং দেখুন সব ঠিক আছে কিনা! যদি ঠিক থাকে তবে আপনার মোবাইলের ক্যামেরা পারফেক্ট আছে বলে আপনি ধরে নিতে পারেন।
আর হ্যাঁ অবশ্যই পিকচেল দেখে নিবেন যে সঠিক আছে কিনা। অনেকে ৬/৭ মেগা পিকচেল লিখে রাখে কিন্তু বাস্তবে তা থাকে না।
আপনি যদি কিছু কিনতে যান তবে তার বাহিরেরটাই আগে লক্ষ্য করেন। যদি ভেতরে থাকে পরিষ্কার কিন্তু বাহিরে নোংরা প্রকিতির তবে ৯৯.৯৯% সময়ে আপনি তা নেবেন না। কারণ আপনি তার কাছেই ঘেষবেন না কখনো। তাই প্রয়োজন একটি সুন্দর ও সঠিক ডিজাইন দেখে মোবাইল কিনার।
এখানে শুধু মাত্র বাহিরের সুন্দরের জন্য নয় এখানে একটি মোবাইল কিনার সময় ডিজাইন দেখা দরকার এই কারণে যেঃ সেটি আপনার ব্যাগ বা পকেটে আটবে কিনা। হাল যুগের সাথে তাল মিলায় কিনা। আপনার স্টাইল এর সাথে আপনার মোবাইলটি যায় কিনা ইত্যাদি দেখে।
কারণ ষ্টোর এ যেয়ে লাফ-ঝাফ দিয়ে একটি কিনে ফেললেই তো আর হলো না, কারণ যেটি কিনছেন সেটি আপনার সব সময়কার সঙ্গী। তাই যা কিনবেন বুঝে-শুনে।

তাক ধিনা ধিন করে একটি মোবাইল কিনে নিয়ে আসলেন সব দেখে! কিন্তু এসে দেখলেন এর কার্যক্ষমতা এই গেলো, এই গেলোরে মার্কা তবে কেমন লাগবে? তাই মোবাইল কিনার সময় এর সকল রিসিট , ওরেন্টি, গ্যারান্টি , ব্যাটারির চার্জ কতক্ষণ থাকবে সব দেখে কিনতে হবে।।
আপনিই বলুন মাকাল ফল কিনে লাভ আছে? ফলটির বাহিরের সব কিছুতেই চাকচিক্য আছে বুঝতে পারলাম, দেখতেও সুন্দর। তবে ফল মানুষ মূলত কিসের জন্য কিনে? অবশ্যই খাবার জন্য তাই নয় কি? তাহলে মাকাল ফল কি খাওয়া যায়?? না, খাওয়া যায় না। তবে এর কি কোন মূল্য আছে? নেই এক বিন্দু মূল্য নেই।
ঠিক সেরকমই আপনার মোবাইলটি। নেটওয়ার্ক নেই তো সব শূন্য। আমরা যে এতক্ষণ এতো কিছু দেখলাম তার কোন লাভই হবে না যদি নেটওয়ার্ক না থাকে। তাই এখন আপনাকে দেখতে হবে মোবাইলের ইন্টারনেট , সিম ইত্যাদির নেটওয়ার্ক ঠিক আছে কিনা বা পরবর্তীতে কোন সমস্যা দেখা দিতে পারে কিনা। ইত্যাদি।
প্রসেসর ডেম তো সব ডেম!! তাই মোবাইল কিনার সময় প্রসেসর এর কার্যক্ষমতা দেখে নিবেন। চলুন দেখি কিভাবে কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করবোঃ
আপনার মোবাইল থেকে একটি ভালো মানের ভিডিও প্লে করুন। যদি ভিডিও টি সুন্দর ভাবে চলতে থাকে এবং কোন সমস্যা না দেখা যায় তবে তা বন্ধ করুন। আর হ্যাঁ অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে “একটি ভিডিও ওপেন হয়ে প্লে হতে কতক্ষণ সময় নেয়” । কারণ এতেই বুঝা যায় যে প্রসেসর এর স্পীড কম নাকি বেশি!!
এবার আপনার মোবাইলে সেটআপ থাকা কিছু এপ্লিকেশন ওপেন করুন এবং ভিডিও ক্যামেরা অন করে ভিডিও করতে থাকুন। যদি প্রসেসর থেমে যায় বা মোবাইল কাজ না করে কিছুক্ষণ অফ হয়ে থাকে তবে বুঝতে হবে আপনার প্রসেসর সেই রকম ভালো মানের কিছু নয়। তবে হ্যাঁ অবশ্যই আপনি আগে চিন্তা করবেন আপনি এসব কি মোবাইল দ্বারা চেক করছেন? নকিয়া, সেমসাং আইফোন নাকি চায়না মোবাইল? হাঁ হাঁ হাঁ!!
সাধারণত আমি নিজে মোবাইলে বেশিরভাগ সময় গান, FM ইত্যাদি শুনতে বেশি পছন্দ করে থাকি। আমার ধারণা মতে এটি সবাই পছন্দ করে এবং করে থাকে। তাই একটি মোবাইলের সাউন্ড এর কোয়ালিটি অতান্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বেশ প্রাধান্য পেয়ে থাকে।
আপনার মোবাইলের MP3 প্লেয়ার ওপেন করে গান ছেড়ে দিন ফুল ভলিওম এ এবং হেডফোন দিয়ে চেক করুন যে সাউন্ড শুনতে অন্যরকম লাগছে কিনা। যদি আপনার কাছে ভালো লাগে এবং আসলেই মনে হয় যে ঠিক আছে, তবে আমরাও বলবো ঠিক আছে। তাই আপনি এখন মোবাইলটি নিতে পারেন
।
কিছু সমস্যা এবং আলসেমির কারণে অনেকদিন কোন পোষ্ট লিখতে পারি নাই আপনাদের জন্য। তাই আজ সকালে শুরু করে দিলাম এই পোষ্ট লেখা এবং অবশেষে তা শেষের পথে……..।
খুব ভালো হয়সে
ধন্যবাদ
চমৎকার হইছে
সেরকম সময় ও লেগেছে
mocotkar , thuri comotkar ! Onek dhonnobad .
বাহ! বাহ! দারুণ মন্তব্য তো
একারণেই নকিয়া . চিন্তা মুক্ত
হ্যাঁ
হ্যাঁ , চেক করে নেয়া ভালো ।
তবে সমস্যা দেখা দিলে একই মডেলের অন্য সেট দেয় কিন্তু অন্য মডেল এর সেট দেয়না ।
হুম , এটা ঠিক না
প্রিয়তে……।
হুম
bhaia আমি সেই তারেক,, nice tune
কোন তারেক? ভুলে গেছি
মনে করাই দেন
চমৎকার ও কাজের একটি পোষ্ট। তামু ভাই
আপনার লেখা দেখলে চরম লাগে
অনেক সুন্দর একটি পোস্ট । ধন্যবাদ তামিম ভাই । স্ক্রীন টাচ এর ব্যাপারে একটি কথা – স্ক্রীন টাচ দুই ধরনের হয় – ১) ক্যাপাছিটিপ
২) রেজিস্টিপ
উন্নত মানের মোবাইলে ( আই ফোন ,অ্যাপল , গুগল) এ ব্যবহার করা হয় ক্যাপাছিটিপ স্ক্রীন যাতে সহজে কাজ করা যায় এবং নরমাল (চাইনা) মোবাইলে ব্যবহার করা হয় রেজিস্টিপ স্ক্রীন যাতে কাজ করা বিরক্তি কর । তামিম ভাই এটুকু যোগ করে দিলে আরো ভাল হত ।
আসলেই লক্ষণীয় জিনিস
প্রিয়তে নিলাম
আসলেই কাজের জিনিস
সুপার পোস্ট শেয়ার করলেন ভাই ।
চরকালের জন্য হিট পোস্ট
হিট পোস্ট